ঢাকা, মার্চ ০১: সারাদেশের সহিংসতা গণহত্যা হিসেবে মন্তব্য করে করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামী ৫ মার্চ (মঙ্গলবার) সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছেন। এই নিয়ে টানা তিন দিন হরতাল পালিত হবে দেশব্যাপী। এর আগে রোববার ও সোমবার সারাদেশে হর তালের ডাক দেয় জামায়াত।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় গুলশানে নিজ কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে হরতালের এ ডাক দেন খালেদা জিয়া। একইসঙ্গে শনিবার বিকেল তিনটায় রাজধানীর নয়াপল্টনে প্রতিবাদ মিছিল হবে বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে খালেদা বলেন, “আমি সরকারের কাছে এ মূহূর্তে গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি। এভাবে গণহত্যা চালাতে পারে তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।”
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “গণহত্যার পৈশাচিক তা-বে মেতে উঠেছে সরকার। বৃদ্ধ, শিশু কিশোর, এমনকি গৃহবধূ পর্যন্ত রক্ষা পাচ্ছে না। পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী সবার উদ্দেশে আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ভূমিকা পালন করুন।”
গণমাধ্যমকেও দেশ ও জাতির দুঃসময়ে যথার্থ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান খালেদা। তিনি বলেন, সরকারকে আত্মঘাতি ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকতে হবে। এই সরকার ক্ষমতায় থাকার সকল অধিকার হারিয়ে ফেলেছে উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগ করছে।
তিনি বলেন, সরকার বিচার প্রক্রিয়ায় চাপ প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ন্যায় বিচারের পথ রুদ্ধ করেছে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টির সমস্ত দায় ও দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।
খালেদা জিয়া বলেন, শাহবাগের বিক্ষোভকারীদের দাবি বিবেচনায় রেখে প্রধানমন্ত্রী ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের রায় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এবং সে অনুযায়ী রায় রয়েছে। রায়ে স্বচ্ছতা ছিলো না। আর সে কারণেই ট্রাাইব্যুনাল ও আইন নিয়ে দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিম-লে সমালোচনা হচ্ছে।