বাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের নানামুখী পদক্ষেপের প্রভাবে দীর্ঘ দিন পর কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। তবে অতীতের মতো এখনো একলা চলো নীতিতে অবস্থান করছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি স্টক এক্সচেঞ্জ দু’টি এককভাবে বেশকিছু পদক্ষেপ নিলেও সম্মিলিত পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। বিষয়টিকে বিশেষজ্ঞ ও বিনিয়োগকারীরা স্টক এক্সচেঞ্জ দু’টির মধ্যে সমন্বয়ের অভাব হিসেবে দেখছেন।
শেয়ারবাজার নিয়ে বার বার জুয়া খেলায় মেতে উঠে কারসাজি চক্র। বাজারকে অস্বাভাবিকভাবে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নিঃস্ব করে এসব চক্র। আর এ কাজে কারসাজি চক্রকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও স্টক এক্সচেঞ্জের এক
শেয়ার ব্যবসা করতে হলে বিভিন্ন ধরনের হিসাব নিকাশের প্রয়োজন। ব্যবসায় পারদর্শী না হলে এখানে বিনিয়োগ করা ঠিক নয়। এ বিষয়ে সকল স্টেকহোল্ডার একমত। পাশাপাশি শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শেয়ার
দীর্ঘ মন্দার পর ধীরে ধীরে কিছুটা স্বাভাবিক আচরণে ফিরছে শেয়ারবাজার। চলতি মাসের ২য় সপ্তাহ থেকে বাজারে বেশিরভাগ শেয়ারের দরের পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেন। লেনদেনের পরিমান ১’শ কোটি থেকে গড়ে ৪’শ কোটি টাকার ঘরে পৌঁছেছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের
শেয়ারবাজারে স্মরণকালের ধসের নেপথ্যে থাকা কুচক্রী বিনিয়োগকারীরা বাজারে এখানো সক্রিয় রয়েছে বলে মনে করেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আর এ কারণেই বাজারে বিনিয়োগ নিয়ে এখনো তাদের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। ওইসব অসাধু বিনিয়োগকারীদের শাস্তির
একসময় উম্মুখ হয়ে থাকলেও বর্তমানে অধিকাংশ শেয়ার সহজলভ্য হয়ে পড়ায় রাইট শেয়ারের প্রতি আগ্রহ কমেছে বিনিয়োগকারীদের। তাছাড়া কোম্পানিগুলোর মূলধন বাড়লেও আয় না বাড়ায় অনাগ্রহের মাত্রা বেড়েছে। যার কারণে এখন আর আগের মতো রাইট শেয়ার নিয়ে বেশি মাতামাতি লক্ষ্য করা যায় না।