নিজস্ব প্রতিবেদক: এমবাপ্পের জোড়া গোলের সুবাদে ডেনমার্ককে হারিয়ে সবার আগে নকআউটে ফ্রান্স। এই জয়ে কাতার বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলো বিশ্বকাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
শনিবার (২৬ নভেম্বর) দোহার স্টেডিয়াম ৯৭৪'এ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে একাধিক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল দুই দল। ফলে শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্বক ফুটবল খেলা উপহার দেয়। তবে কোনো গোলের সুযোগ পাচ্ছিল না কেউই।
খেলার ২২ মিনিটে প্রথম সুযোগ আসে ফ্রান্সের সামনে। মাঝমাঠ থেকে অঁতোয়ান গ্রিজম্যানের ফ্রি কিকের বল পেয়ে যান উসমান ডেম্বেলে। তিনি সেই বল বাড়িয়ে দেন ডেনমার্কের ডি-বক্সের দিকে। তবে রাবিওর হেড দুর্দান্ত ভঙিমায় রুখে দেন ড্যানিশ গোলরক্ষক ক্যাসপার স্মাইকেল। ফলে গোলবঞ্চিত হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ফ্রান্সের আক্রমণের বিপরীতে ৩৫ মিনিটে কাউন্টার এটাক করে বসে ডেনমার্ক। তবে ফ্রান্সের দুর্দান্ত ডিফেন্সের কাছে পরাস্ত হয়ে গোল করার চেষ্টা ব্যর্থ হয় ডেনমার্কের।
খেলার ৪১ মিনিটে আবারও গোলের সহজ সুযোগ পায় ফ্রান্স। তবে চৌয়ামেনির বাড়ানো বল ডেম্বেলে পেয়ে পাস দেন এমবাপ্পের উদ্দেশ্যে। কিন্তু এমবাপ্পের শট গোলবারের উপর দিয়ে চলে যায়। ফলে গোলশূন্য ড্র নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতিতে থেকে ফিরে আক্রমণে আরও ধার বাড়ায় ফ্রান্সের কোচ দেশম। যার সুবাদে খেলার ৬১ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। থিও হার্নান্দেজের পাস থেকে দুর্দান্ত এক গোল করেন করেন এমবাপ্পে। এটি তার বিশ্বকাপের মঞ্চে ষষ্ঠ গোল। পিছিয়ে পড়ে ডেনমার্কও যেন ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে।
খেলার ৬৮তম মিনিটেই ক্রিস্টেনসেনের গোলে সমতায় ফেরে ডেনমার্ক। তবে সেই সমতাকে মুহূর্তেই ম্লান করে দেন এমবাপ্পে। ২৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড খেলার ৮৬ মিনিটে গ্রিজম্যানের অ্যাসিস্টে অসাধারণ এক গোল করেন। যার সুবাদে শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচ শেষ করে ফ্রান্স।
বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপ্পের এখন গোল সংখ্যা ৭টি। শেষ ষোলো নিশ্চিত হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপে আরও দুই ম্যাচে খেলার সুযোগ পাবেন তিনি। ফলে গোল সংখ্যা আরও বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকছে বিশ্বকাপজয়ী পিএসজির এই তারকার সামনে।