ঢাকা, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪
Sharenews24

‘গরু চোরাচালানে মাথাপিছু রেট বাড়িয়েছে রৌমারি থানার ওসি’

২০২৪ জুন ২৪ ১৬:৪৯:৫৩
‘গরু চোরাচালানে মাথাপিছু রেট বাড়িয়েছে রৌমারি থানার ওসি’

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাবেক গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জাকির হোসেন অভিযোগ করেছেন, কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে মাদক ও গরু চোরাচালানে পুলিশ জড়িত। রৌমারী থানার ওসি গরু চোরাচালানে মাথাপিছু রেট বাড়িয়েছেন।

বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।রোববার (২৩ জুন) জাকির হোসেনের এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। আগের দিন শনিবার বিকেলে রৌমারী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক আলোচনা সভায় এমন বক্তব্য দেন তিনি।

মোট ৪ মিনিট ৩১ সেকেন্ডের ভিডিওতে মো. জাকির হোসেনকে বলতে শোনা যায়, ‘সীমান্তে গরু আসে নদী পথে, গরু আসে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ওপর বাঁশের তৈরি আড়কির (বাঁশের তৈরি যন্ত্র) মাধ্যমে। মাথাপিছু গরুর টাকা নেয় কে এবং কে খায়? আগের ওসির এক রেট ছিল, এই ওসি (আবদুল্লা হিল জামান) এসে রেট বাড়ায় দিছে।’

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নদীপথে ছোট ছোট (ডিঙি) নৌকাগুলোয় করে মাদক আসে। কোনো কোনো সময় কামলা (মাদকদ্রব্য আনা-নেওয়া শ্রমিক) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেও মাদকের গডফাদাররা ধরা পড়ে না কেন? গডফাদারদের ইদানীং থানার বারান্দায় দেখা যায়। পাশাপাশি দারোগাদের ঘাড় ধরে ঘুরে বেড়ায়।’

রৌমারী এখন মাদকের সাম্রাজ্য উল্লেখ করে জাকির হোসেন বলেন, ‘এখানকার মাদক কারাবারিরা কোটিপতি। ব-কলম হয়েও শুধু টাকার জোরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হচ্ছেন অনেকেই। এখানে উপস্থিত সবার খবর জানি আমি। হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে কারা কারা জড়িত সবাই জানেন, কিন্তু কেউ বলেন না। আমার মুখ খোলাইয়েন না। ভালো হয়ে যাই সবাই।’

এই বিষয়ে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে চোরাচালানে পুলিশের সম্পৃক্ততার কোনো সুযোগ নেই। সীমান্তের আট কিলোমিটার এলাকায় পুলিশকে যেতে হলে বিজিবিকে অবগত করে তবেই সেখানে যেতে হয়। সেখানে পুলিশ কীভাবে চোরাচালানে সহযোগিতা করবে। সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগের সত্যতা যাচাই বাচাই করে দেখা হবে।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের বক্তব্যের বিষয়ে রৌমারী থানার ওসি মুশাহেদ খান বলেন, ‘পুলিশ গরু চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে মাদকের বিষয়টি পুলিশের কাছে গডফাদার ও কামলা বলে কিছু নেই। আমরা যখন যার কাছে মাদক পাই, তখন তাকে আটক করি। এ ক্ষেত্রে কেউ যদি গডফাদারদের তথ্য দেয়, তবে আমরা সেখানেও অভিযান চালাব।’

মামুন/

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে